বাংলাদেশ টেলিভিশনের অডিটোরিয়ামে জাতীয় টেলিভিশন স্কুল-কলেজ বিতর্ক প্রতিযোগিতার ফাইনাল রাউন্ডের কম্পিটিশন ও পুরস্কার বিতরন অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত সচিব জনাব আবু হেনা মোরশেদ জামান এবং অংশগ্রহণকারী বিতার্কিক ও তাদের শিক্ষকদের সাথে আমরা ৫ জন বিচারক জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য জনাব এম আরিফ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সালমা আখতার মিশন, যুগ্ম-সচিব জনাব ফয়জুল হক জুরিখ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোবোটিক্স এন্ড মেকাট্রোনিক্স ডিপার্টমেন্টের চেয়ারপার্সন ড. সেজুতি রাহমান এবং আমি ।
উল্লেখ্য যে, ১৯৯৭ সালে অনুষ্ঠিত ১৩-তম (১৯৯৫-৯৭) জাতীয় টেলিভিশন বিতর্ক প্রতিযোগিতায় আমাদের দল বুয়েটের ডঃ এম এ রশীদ হল জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হবার গৌরব অর্জন করেছিলো । আমি সেই দলের দলনেতা ছিলাম এবং ফাইনাল রাউন্ডের প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ বিতার্কিক নির্বাচিত হয়েছিলাম । প্রাক্তন বিতার্কিক হিসেবে এই বিতর্ক সম্পৃক্ততার কারনেই সম্ভবত: বাংলাদেশ টেলিভিশনের এনলিস্টেড বিচারক হিসেবে গত ১০-১৫ বৎসর যাবৎ জাতীয় টেলিভিশন বিতর্ক প্রতিযোগিতার বিচারকার্যে অংশগ্রহণ করে আসছি ।
যুগ্ম-সচিব ফয়জুল হক জুরিখ এবং ডঃ সেজুতি রাহমানও তাদের নিজ নিজ সময়ে জাতীয় টেলিভিশন বিতর্কের চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য ছিলেন । আরেকজন বিচারক জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য জনাব এম আরিফও একজন ভালো বিতার্কিক ছিলেন এবং দীর্ঘদিন বাংলাদেশ টেলিভিশনে ইংরেজি সংবাদ পাঠ করতেন । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞানের শিক্ষক অধ্যাপক সালমা আখতার মিশন বিতর্ক করতেন না বটে ; কিন্তু তিনি অসম্ভব সুন্দর করে গুছিয়ে কথা বলেন ।

